Advertisement

Responsive Advertisement

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

</

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া: ১৭ অক্টোবর ২০২৪-এর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য


১৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে, বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় পরিচালিত হচ্ছে, যা ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত এবং ২০১৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।


প্রক্রিয়ার আইনগত দিক


২০১৬ সালের সংশোধনীর ফলে বন্দি প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় অপরাধের প্রমাণ উপস্থাপন করার প্রয়োজনীয়তা নেই। শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলেই অনুরোধটি বৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ভারতের আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়ে বিষয়টি ত্বরান্বিত করার জন্য আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিবেচনা ও কূটনৈতিক আলোচনার গুরুত্ব


যদিও আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে, ভারতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তও এই প্রক্রিয়ায় বড় ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে, চুক্তির ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রত্যর্পণ প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ রয়েছে। তবুও, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া আইনগতভাবে জোরালো অবস্থানে রয়েছে, কারণ আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় গুরুতর অপরাধগুলোকে রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।


পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা উল্লেখ করেছেন, "শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য আমরা ভারতের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগে রয়েছি। আইনি এবং কূটনৈতিক উভয় দিক থেকেই আমরা এ ব্যাপারে অগ্রসর হচ্ছি, এবং আশা করছি শিগগিরই এর ইতিবাচক ফলাফল আসবে।"


উপসংহার:

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়া শুধুমাত্র আইনগত নয়, এটি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে জটিল একটি বিষয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও উপদেষ্টার নির্দেশনায় এই প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে এই প্রক্রিয়া শীঘ্রই সফল হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরো দেখুন 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ